মোহনার খোঁজে

Share Button

Wali-mahmud

ওয়ালি মাহমুদ

এই আমিও হাঁটি পুলাছড়ার পানি ভেঙ্গে তালে তালে, মোহনার খোঁজে। টিলাগুলোকে নাইয়ে যে স্রোত অন্ধ- নদীর জন্য। সেই দাদাবদিখা’র আমল হতে কিংবা আরও…। ক্রমবর্ধমান ইচ্ছা এখর হাটু হতে পায়া’র দিকে নামে। একপাশে পূনর্নিমানে ব্যস্ত শতাব্দী প্রাচীন বাঘমারা জামে মসজিদ। অন্যপার্শ্বে মৃত্যু হচ্ছে ফলিত শষ্যের। পৌষমাইয়া কামলার ঘামে দলিত হয় সদ্য প্রয়াত আমনের বুক।

ছড়াহাটা মানুষটি তবু্ও থেমে নেই। অনুভূতির নিকট সমতলের গভীরতা ধীরে ধীরে বাড়ন্ত মনে হচ্ছে।

মোহনা আর কত দুর?
থামলেন। থেমে এমনতরো দৃষ্টিতে দেখলেন, যেন জনমের প্রশ্নের সিঁড়ি ডিঙ্গিয়ে আসছেন তিনি। আরেকটু সামনে এক দঙ্গল ছেলেমেয়ে জলকেলি খেলছে। তারা কি পেয়েছে খোঁজ?
স্রোত চিন্তনের কোমর ছুঁয়েছে সদ্য। ওখানে যেতে যেতে কত দ্রাবিড় ক্রীত হবে আর.. নিতান্ত বশংবদ হয়ে গৃহীত হয়নি এখনো। জলপ্রবাহ তললৈ হতে উপরলৈ ক্রম হচ্ছে। ইন্দ্রিয় বলছে- মোহনায় যেতে হলে ডুবুরী হতে হয় আগে। নয়তো নাস্তি।

নির্জন প্রহরের সঙ্গে অমানিশি সারাৎসার করে; এই আমিও হাঁটি পুলাছড়ার পানি ভেঙ্গে তালে তালে, মোহনার খোঁজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

}
© Copyright 2015, All Rights Reserved. | Powered by polol.co.uk